মেরিল্যান্ডে বড়দিন উদযাপন

সুবীর কাস্মীর পেরেরা:

  বিশ্বের সকল ধর্মের মানুষের শান্তি কামনা করে পালিত হলো খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। সকালে সেন্ট ক্যামিলাস ক্যাথলিক চার্চে ফাদার এরিক খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন। তিনি সকল মানুষের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করেন। খ্রীষ্টযাগে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী অংশগ্রহন করেন। ফাদার এরিক বলেন, যীশু এসেছিলেন মানব কল্যাণে।  তিনি কখন বিচার করেনি কে ধনী বা কে গরিব। তিনি যাচাই করেনি কে পাপী। তিনি এসেছিলেন সবার জন্য। তিনি পরস্পরকে ভালোবাসতে ও আপন করে নিতে সবাইকে আহ্বান করেন। বড়দিনের পূর্ব মধ্যরাতে বিশেষ খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করা হয়। এতে ভিবিন্ন দেশের মানুষ অংগ্রহণ করেন। সকালে আন্তঃজাতি গোষ্ঠীদের জন্য বিশেষ খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করা হয়। বাংলা, ফ্রেন্স, স্পেনিশ ও ইংরেজি ভাষায় খ্রীষ্টযাগে বিপুল সংখ্যক বাঙালি অংশগ্রহণ করেন। খ্রীষ্টযাগে বাংলায় গান ও প্রার্থনা পরিবেশন করা হয়। বাঙালি খ্রীষ্টভক্তদের দেশীয় পোশাকে খ্রীষ্টযাগে অংশ নিতে দেখা গেছে। খ্রীষ্টযাগ শেষে েকে ওপরের সাথে শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করতে দেখা গেছে। স্থানীয় সেন্ট মার্ক চার্চ ও সেন্ট জন চার্চেও ছিল বাঙালিদের ভিড়। চার্চগুলোতে অন্যান্য ভাষাভাষী মানুষের সাথে এক কাতারে সবাই অংশ গ্রহণ করেন। খ্রীষ্টযাগ শেষে স্থনীয় তিনটি সংগঠনেরসদস্যরা বাড়ি বাড়ি কীর্তন গেয়ে যীশুর জন্ম বার্তা প্রচার করছে। আগামী ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর সংগঠনগুলো আলাদা আলাদা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বড়দিন পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা বড়দিন পুনর্মিলনী উৎসব পালন করবে।