বাকার ইষ্টার সানডে উদযাপন 

সুবীর কাস্মীর পেরেরা:

নাচে-গানে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাঙালি-আমেরিকান খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন(বাকা) পালন করলো খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইষ্টার সানডে। গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যায় সিলভার স্প্রিং শহরের ক্যামিলা হলে সংগঠনের সভাপতি স্ট্যানলি খোকন  গোমেজ এর শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান শিল্পী ছিলেন বাণীদীপ্তির খ্যাতিমান শিল্পী অপু গাঙ্গুলি। তিনি তার কণ্ঠের জাদুতে একটি ভিন্ন স্বাদের পরিবেশ সৃষ্টি করেন।

মূলত ইষ্টার সানডের অনুষ্ঠান হলেও স্বাধীনতা দিবসও পালন করা হয়েছে। ছোট শিশুদের পরিবেশনা ‘রাঙামাটির রঙে চোখ জুড়ালো’ গানের সাথে এক ঝাঁক শিশু-জুলিয়া,অদ্রি,রিসা,অবনীল,টয়লের,গানের,ইভান্স,পল,জেসন,গ্রেগরী,এঞ্জেল,আদ্রিয়ানা,গলা,মারিসা,খ্রীষ্টিনা ও ভেলেন নেচে গেয়ে পরিবেশন করেন। ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’ স্বাধীনতার গান পরিবেশন করেন-লক্ষী,রোজমেরি,শান্তনা,ঝুমকি,হাসি,রুবি,ডমিনিক,তপন,রুপালি, কানন,রতন, এলভিস ও লিলি।

একক সংগীত পরিবেশন করে, জর্জ রেগো,বৃষ্টি গোমেজ,রিচার্ড গোমেজ, সিসিলিয়া ডি’রোজারিও, সুশীল গোমেজ ও টমাস গোমেজ।

দলীয় নৃত্যে অংশ নেয়-রিদি,রিদিকা,সিনথিয়া ও তার দল,শুভ্রা, মৌসুমী,জেরিন ও তুলি।

বাঁশের বাঁশিতে ‘কে যাও ভাটির দেশে নাইয়া’ সুরের ঝড় তুলে এলিসিয়া রেগো।

কবিতা আবৃত্তি করেন- এন্থনি পিউস গোমেজ ও লেখিকা যেন কুম কুম ডি’ক্রুশ।

প্রণয় গোমেজ এর উপস্থাপনায় মেরিল্যান্ডে প্রথম ব্যান্ড দল বিদ্রোহের রিচার্ড পিয়াল রোজারিও জনপ্রিয় দুটি ব্যান্ড সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের মাতিয়ে রাখে। বেজে গিটারে ছিলেন লেরি গোমেজ ও ড্রামসে ভিনসেন্ট ডি’কস্তা।

রাতের আহারের পর ছিল লটারি পর্ব। পরিচালনায়, জিম রোজারিও,হেনরি রিচার্ড, স্ট্যানলি খোকন ও ডমিনিক রেগো। লটারির গ্র্যান্ড স্পনসর ছিলেন, তৌফিক মতিন ও আলবার্ট গোমেজ।

অনুষ্ঠানের সার্বিক উপস্থাপনায় ছিলেন এন্ড্রু বিরাজ ও দোলা।