মানবতার শীর্ষমুখ শেখ হাসিনা

তানভীর ইমাম:

বিশ্বের শোষিত, নির্যাতিত, নিষ্পেষিত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের ত্রাণকর্তা হিসেবে যুগে যুগে আবির্ভূত হয়েছেন বহু মহামানব। অনেককেই শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, জেল-নির্যাতন মোকাবেলা করে লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হয়েছে। ২৩ বছর পাকিস্তানের জেল-জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে, বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে ১৯৭১ সালে অধিকারবঞ্চিত বাঙালীর স্বাধীনতা এনেছিলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু মানবতাবাদী নেতা ছিলেন। সারা বিশ্বে তাঁর পরিচিতি ছিল শোষিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে। তাঁর কন্যা এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। এবার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি মানবিক মনোভাবের পরিচয় দেয়ায় বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে একটি আলোচিত নাম। পিতার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে নিজের অবস্থান আগেই তৈরি করেছেন। এবার মানবিকতায়ও। খুন-ধর্ষণ-বর্বর নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়-সেবা দিয়ে বিশ্বে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্রিটিশ মিডিয়া চ্যানেল ফোর তাঁকে আখ্যায়িত করেছে ‘মানবতার জননী’ হিসেবে। তিনি সর্বহারা রোহিঙ্গাদের পরম মমতায়, মাতৃস্নেহে যেভাবে আঁকড়ে ধরেছেন সেই দৃশ্য বিশ্ববাসীকে কাঁদিয়েছে।

এই মুহূর্তে মানবিকতার চরমতম এক বিপর্যয়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। প্রায় চার দশক ধরে তারা মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আসছে। সেই ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু করে সর্বশেষ আসা প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে বাংলাদেশে। গত তিন সপ্তাহে ৪ লাখেরও বেশি নির্যাতিত রোহিঙ্গা এসেছে বাংলাদেশে। দেশের ব্যাপক বন্যার ধকল সামলে উঠার আগেই এই মানবিক বিপর্যয় বাংলাদেশের জন্য সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। শেখ হাসিনাকে ব্যথিত করেছে এই মানবিক বিপর্যয়। তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ছুটে গেছেন আশ্রয় শিবিরে। স্বচক্ষে দেখেছেন এই অমানবিক অপরাধের চিহ্ন। কথা শুনেছেন নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের। দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই, তবে তাদের অন্যায়-অত্যাচার সহ্য করা হবে না। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, শরণার্থীদের পাশে তিনি আছেন। দেশে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি তাদের পাশে থাকবেন। এ কথা সত্য যে, বাংলাদেশের অর্থনীতির যে অবস্থা তাতে এই বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ সময় আশ্রয় দেয়া প্রায় অসম্ভব। সীমিত সাধ্যের মধ্যেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শরণার্থীদের আশ্বস্ত করেছেন। তাদের থাকা, খাওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার ভরণপোষণের জন্য সরকারের বাৎসরিক খরচ হবে ৬ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বাজেটের সামাজিক ও খাদ্য নিরাপত্তা বরাদ্দের সমান। এই চাপ বাংলাদেশের জন্য সত্যিই চ্যালেঞ্জ। শেখ হাসিনা মানবিক হৃদয় দিয়ে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছেন।

দেশী-বিদেশী পত্রপত্রিকার খবর রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতা এবং শান্তির অনন্য নজির স্থাপনের জন্য শেখ হাসিনাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করার প্রস্তাব করছেন বিশ্বের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীরা। অক্সপিসের (অক্সফোর্ড নেটওয়ার্ক অব পিস স্টাডিজ) শিক্ষাবিদ ড. লিজ কারমাইকেল এবং ড. এ্যান্ড্রু গোসলার মনে করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়-সেবা দিয়েছেন তা সারা বিশ্বের জন্য এক অনুকরণীয় বার্তা। তাদের ভাষ্য, ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো যখন শরণার্থী নিয়ে নানা সমস্যায় জর্জরিত, সে সময় বাংলাদেশ দেখিয়ে দিল কিভাবে সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। তারা দুজনই শেখ হাসিনাকে ‘মানবিক বিশ্বের প্রধান নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একইভাবে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিস স্টাডিজ বিভাগের তিন অধ্যাপক যৌথভাবে শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্ব শান্তির দূত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ড. অলডো সিভিকো, ড. দীপালী মুখোপাধ্যায় এবং ড. জুডিথ ম্যাটলফ যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, নোবেল শান্তিজয়ী আউং সান সুচি আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যক্রম পাশাপাশি মূল্যায়ন করলেই দেখা যায় বিশ্ব শান্তির নেতা কে? তাদের মতে শেখ হাসিনা শান্তির নতুন বার্তা দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড ডিভাইনিটি স্কুলের ডিন ডেভিড এন হেম্পটন বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তির নতুন মাত্রা দিয়েছে। কেবল শান্তির স্বার্থেই দেশটি চরম অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিয়েছে। এই বিপুলসংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে মানবিক হৃদয় লাগে। জার্মানি যা করতে পারেনি শেখ হাসিনা তা করে দেখিয়েছেন।

শ্রদ্ধেয় কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ১৫ সেপ্টেম্বর তার এক লেখায় উল্লেখ করেছেন, ‘বর্তমান বিশ্বে শান্তি, অহিংসা ও মানবতার জন্য যদি নোবেল শান্তি পুরস্কার দিতে হয় তাহলে শেখ হাসিনাই তার যোগ্যতম প্রার্থী। তাঁকে এই পুরস্কার দিয়ে অতীতে হিংসার বাহকদের এই পুরস্কার দানের দুর্নাম থেকে নোবেল পুরস্কার কমিটি বাঁচতে পারে। তাতে এই পুরস্কার প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেলের আত্মাও হয়ত শান্তি পাবে।’

জনপ্রিয় লেখক ও কলামিস্ট স্বদেশ রায় ১৪ সেপ্টেম্বর তার এক কলামে লিখেছেন, ‘কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে শেখ হাসিনার মুখ দেখে দীর্ঘ ’৭১ থেকে ২০১৭তে এসে মনে পড়ল সেই ইন্দিরা গান্ধীর মুখ। সেই মমতাময়ী মায়ের মুখ। একজন মা ও একজন বোন হিসেবে শেখ হাসিনাকে যারা কাছ থেকে দেখেননি তারা আসলে বুঝতে পারেন না কি বিশাল মাতৃ ও বোনের হৃদয় নিয়ে শেখ হাসিনা দেশ চালান। মানুষের জন্য নিজেকে কীভাবে তিনি উৎসর্গ করেছেন। শেখ হাসিনার এই হৃদয় অনেকের কাছে অপরিচিত বা অনেকে উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হন বলেই তারা মনে করেছিলেন শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেবেন না। তাদের সকল ধারণা ভুল প্রমাণিত করে, শেখ হাসিনা শুধু তাদের আশ্রয় ও খাদ্য দেননি। তিনি একজন গৃহস্থ ঘরের মায়ের মতো বলেছেন, ১৭ কোটিকে যদি খাওয়াতে পরাতে পারি তাহলে আর সাড়ে সাত লাখকেও খাওয়াতে পরাতে পারব। তাই বলে কোন মানব সন্তানকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারব না।’

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ইন ক্যানবেরার অধীনে পরিচালিত পিস এ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান ড. হেনরিক উরডাল মনে করেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানে শেখ হাসিনাকেই বিশ্ব শান্তির নেতার মর্যাদা দেয়া উচিত।

বাস্তবে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ এই নীতি ধারণ করেন শেখ হাসিনা। বিশ্বের যে ক’জন নেতাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গুরুত্ব দেয় শেখ হাসিনা তাদের অন্যতম। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউইয়র্ক টাইমস সাময়িকীর জরিপে বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর নারী নেতৃত্বের ১২ জনের তালিকা করা হয়। ওই তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান হলো সপ্তম। ২০১০ সালে একই পত্রিকার অনলাইন জরিপেও বিশ্বের সেরা ১০ ক্ষমতাধর নারীর মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন এ্যাফেয়ার্স সাময়িকীতে মানবজাতির উন্নয়ন ও কল্যাণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মৌলিক চিন্তা, গবেষণা, উদ্ভাবন, সৃষ্টি এবং আকর্ষণমূলক কাজের জন্য বিশ্বের যে ১০০ শীর্ষ ব্যক্তির তালিকা করা হয় সেখানে শেখ হাসিনার অবস্থান ১৩তম। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ পদকে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুধু তাই নয়, যোগ্য নেতৃত্বের জন্য শেখ হাসিনা বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কারও অর্জন করেন। ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৩০টি পুরস্কার ও পদক অর্জন করেছেন তিনি।

শুধু রোহিঙ্গা প্রসঙ্গই নয়, এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার অনন্য ভূমিকা রয়েছে। ১৯ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বাহিনীর সঙ্গে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পাহাড়ে পাহাড়ী-বাঙালীর নিরাপদ আবাস গড়ে তোলেন তিনি। এই চুক্তি পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র বিদ্রোহের অবসান ঘটায়। এর আগে দীর্ঘদিন এই অঞ্চলের মানুষ নিজ দেশে পরবাসীর মতো জীবনযাপনে বাধ্য ছিল।

শেখ হাসিনা প্রায় ৬৮ বছর পর ছিটমহলবাসীর বন্দী জীবনের অবসান ঘটিয়ে নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। ১৯৪৭ সালের পর ২০১৬ সালে এসে স্বাধীন দেশের নাগরিকত্ব পায় ১৬২টি ছিটমহলের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ভারতের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এই মানবতার মেলবন্ধন রচিত হয়।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশে মিলিটারি শাসন তথা সামরিকতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণ ঘটান। তিনি একাত্তর-পঁচাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও খুনীদের বিচার করে আইনের শাসন এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত অনুন্নত দরিদ্র দেশটি আজ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশে রূপান্তরের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গড় আয়ু, জিডিপি ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে বহু উন্নত দেশকেও পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নদ্রষ্টা তিনি। এসব কারণে বিশ্ব নেতৃত্বে অনেক এগিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। বলা যায়, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে তার গুরুত্ব এখন অপরিসীম।

শিশু ও তরুণদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের কৈলাস সত্যার্থী। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণে বিশেষ অবদান রাখায় শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. ইউনূস। এরা সবাই দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশের। সেইক্ষেত্রে পার্বত্য শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ী-বাঙালী শান্তি প্রতিষ্ঠা, ছিটমহলবাসীর নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া, সর্বশেষ নারী-শিশুসহ প্রায় ৯ লাখ বিতাড়িত-নির্যাতিত রোহিঙ্গার আশ্রয় ও সেবা দেয়া, তাদের স্বদেশে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে জাতিসংঘসহ বিশ্ব নেতৃত্বের প্রতি সহযোগিতা চাওয়ার মতো দৃষ্টান্ত যার রয়েছে, তিনিও শান্তিতে নোবেল পাওয়ার যোগ্য দাবিদার। আমিও বুদ্ধিজীবী ও লেখকদের মতো এই দাবি রাখছি কর্তৃপক্ষের কাছে। বিষয়টি নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় রাখবেন আশা রাখি। নোবেল কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলে সত্যিকারের একজন শান্তির দূতকে মূল্যায়ন করা হবে আমি মনে করি।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সারা বিশ্বের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশ তথা শেখ হাসিনার দিকে। বিশ্ব সমর্থনও আমাদের পক্ষে। শেখ হাসিনা এখানে মধ্যমণি। গোটা বিশ্ব এখন এই ইস্যুতে সরব। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও আগের অবস্থানে নেই। নিরাপত্তা পরিষদ রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারকে যেভাবে চাপে রেখেছে তা সময়োপযোগী। তারাও মনে করে এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গা সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধানে পৌঁছা সম্ভব। যার অন্যতম উপলক্ষ হতে পারেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ তার গৌরবের স্থানটিতে যে নামটাকে সর্বাগ্রে উচ্চারণ করে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তারপরই উচ্চারিত হন শেখ হাসিনা। যিনি শ্রমে-কর্মে দেশ ও দেশের মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সেই তিনি আজ বিশ্বে শান্তিকামী মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে মর্যাদার শীর্ষ আসনে। সৌজন্য: জনকন্ঠ