ভাওয়াল এলাকার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি

 

সুনীল পেরেরা:

 ভূমিকা: সাধারণভাবে সাহিত্য, সঙ্গীত, চিত্র, স্থাপত্য, ভাস্কর্য প্রভৃতি চারু ও কারু শিল্পকলাকে সংস্কৃতি আখ্যা দেওয়া হয়। মানুষের চিন্তা, কল্পনা,ধ্যান-ধারণা, ভাবানুভূতির অভিব্যক্তি হিসেবে শিল্পকলা সংস্কৃতির অঙ্গ। সাহিত্য, শিল্প মূলত জীবন ও জগতের প্রতিচ্ছবি। জীবন ছাড়া সংস্কৃতির বিকাশ নেই।

ধর্ম মানব জীবনের একটি অবিভাজ্য ও অপরিত্যাজ্য বিষয়। ধর্মীয় বিধান ও শাস্ত্রীয় নির্দেশ অনুযায়ী এক এক জাতির যাবতীয় আচার অনুষ্ঠান, রীতিনীতি গড়ে ওঠেছে। অঞ্চল ভেদে এসবের ভিন্নতা আছে। লোক সংস্কৃতি প্রধানত ঐতিহ্যনির্ভর। সরলতা ও স্বাভাবিকতা লোক সংস্কৃতির ভূষণ। একটি দেশের, একটি অঞ্চলের মৌলিকতা ও স্বকীয়তার পরিচয় তার লোক সংস্কৃতি দ্বারাই সম্ভব। লোক সঙ্গীতের বৈচিত্র অধিক। বাঙালির আবেগপ্রবন মনে গীতিসুর বেশি ধ্বনিত হয়েছে। গ্রাম বাংলার জারি, সারি, মুর্শিদি, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, ঘাটু, জাগ, মালসী, বাউল, বিচার, আলকাপ, টসু, ভাদু, গম্ভীরা প্রভৃতি জনপ্রিয় সঙ্গীত।

পূর্ববঙ্গের উপকূলাঞ্চলে স্থানীয় বাঙালি নারীদের বিবাহ করেন পর্তুগীজ সৈন্য, নাবিক ও ব্যবসায়ীগণ। এবং তাদের খ্রিস্টান হিসেবে গড়ে তোলেন। তাছাড়া পর্তুগীজদের অধীনে বেশ কিছু সংখ্যক হিন্দু ও মুসলমান দাস-দাসী, চাকর-চাকরাণী ছিল যাদেরকে আগষ্টিনিয়ান বাণী প্রচারকগণ খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত করেন। তবে ঢাকা জেলার বর্তমান খ্রিস্টানদের বহুলাংশই নিম্নশ্রেণির হিন্দুদের বংশধর।

যিশু নিজেই ‘বাণী’ নামে অভিহিত হয়েছেন। ভাষা ও বাণীর অন্যতম পরম গৌরব হলো যে, তা সত্যকে প্রকাশ করতে পারে। বাণীপ্রচারের কাজ যুগ যুগ ধরে চলছে, চলবে অনন্তকাল পর্যন্ত। অতীতে ভাববাদীগণ, তারপর যিশুর প্রেরিতশিষ্যগণ বাণীপ্রচার করেছেন। এদেশে বিদেশী প্রচারক থেকে শুরু করে দোম আন্তইন দা রোজারিও পর্যন্ত বাণী প্রচার কাজ চলেছে উপদেশ, শাস্ত্রব্যাখ্যা, গান তর্কবিতর্ক, পালাগান ও কথোপকথনের মাধ্যমে।

ঠাকুরের গান

দোম আন্তইন : ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মগ দস্যুরা ফরিদপুর জেলার ভূষণা রাজ্যের রাজপুত্রকে অপহরণ করে আরাকানে নিয়ে যায়। সেখানে পর্তুগীজ ফাদার মানুয়েল দা রোজারিও এ রাজপুত্রকে মগদের কাছ থেকে ক্রয় করে পরবর্তীকালে তাকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করেন। দীক্ষাগ্রহণের সময় আন্তইন দা রোজারিও নাম ধারণ করেন। দোম আন্তইন নিজ এলাকা ভূষণা ছাড়াও ভাওয়াল এলাকায় নাগরী, তুমিলিয়া, রাঙ্গামাটিয়া, মঠবাড়ী, মাউছাইদ এবং ঢাকার দক্ষিণে হাসনাবাদ এলাকায় নিম্নশ্রেণীর হিন্দুদের মধ্যে বাণীপ্রচার করেন। গান, কথোপকথন, তর্কবিতর্ক ও পালাগানের মাধ্যমে তিনি প্রচার কাজ চালাতেন। তার রচিত সাধু আন্তনীর পালাসহ অন্যান্য পালাগান এখনও প্রচলিত আছে। পরবর্তীকালে দোম আন্তইন বাংলা ভাষায় ধর্মশিক্ষা দানের জন্য কথোপকথনের ভঙ্গিতে ‘ব্রাহ্মণ রোমান কাথলিক সংবাদ’ নামক একটি (অপ্রকাশিত) গ্রন্থ রচনা করেন। বাংলা গদ্যরীতির প্রচলনে এ গ্রন্থটির মূল্যবান অবদান রয়েছে।

খ্রিস্টধর্মকে আশ্রয় করে বাংলা ভাষায় অনেক গীত ও পালাগান রচিত হয়েছে। সেগুলো এখন বাংলাভাষা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। এর একটি ধারা হলো ‘ঠাকুরের গান’ বা সাধু আন্তনীর পালাগান। খ্রিস্টসাধক আন্তনী কেন্দ্রিক এসব পালাগানের রয়েছে বাঙালি খ্রিস্টীয় সমাজের পরিপূর্ণ ও জোরালো জীবনচিত্র। এখানে ফুটে ওঠেছে খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর জীবনবোধ, বিশ্বাস এবং যাপিত জীবনের সূত্রসমূহ। এখনো পালা গানের পার্বণে কিংবা বিভিন্ন উদ্দেশে খ্রিস্টসম্প্রদায় মানত বা ব্রত করে। তার প্রাপ্তিতে আন্তনীর পালাগান গাওয়ানো হয়। এদেশের প্রায় প্রতিটি খ্রিস্টান অঞ্চলে এ গানের রেওয়াজ রয়েছে। তবে ভাওয়াল অঞ্চলে এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। এই অমূল্য সংস্কৃতির প্রথম গর্বিত চর্চাকারি দোম আন্তইন। বাণীপ্রচারের জন্যই তিনি এর প্রচলন বরেন। গীতিপ্রাণ বাঙালির মানসে তিনি গানের মাধ্যমে খ্রিস্টবাণী প্রচারের যে জোয়ার এনেছিলেন তার ফলে সেই যুগে প্রায় ৩০০০০ হাজার ভক্ত খ্রিস্টধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ১৬৮২ খ্রিস্টাব্দে আন্তইন আগস্টিনিয়ান সংঘে প্রবেশ করেন এবং আমৃত্যু এ সংঘে থেকেই বাণী প্রচারের কাজ করে গেছেন।

১৬৯৫ খ্রিস্টাব্দে আগস্টিনিয়ান ফাদার লুই দস্ আঞ্জুস নাগরী গ্রামটি ক্রয় করেন এবং ভূষণার খ্রিস্টানদের এনে এখানে বসতি স্থাপন করেন। ভাওয়াল অঞ্চলের মধ্যে প্রথমে নাগরীতে বাণীপ্রচারের কেন্দ্র গড়ে ওঠে। আন্তইনের প্রচারের কারণে ক্রমশ আশে-পাশে বিস্তার লাভ করে। এসময় নাগরীর অদূরে পানজোরাতেও একটি গির্জিকা গড়ে ওঠে। এখান থেকেই যাজক গিয়ে গ্রামবাসীদের ধর্মীয় পরিচর্যা করতেন। ১৬৭৮ সনে জেসুইট ফাদার আন্তইন দা মেগাহায়েস ঢাকা জেলার ভাওয়াল অঞ্চলে আসেন আন্তইন কর্তৃক ধর্মান্তরিত কাথলিকদের পরিচর্যা করতে। প্রচারকগণ জপমালা বিষয়ক গানের মাধ্যমে শিক্ষাদান করতেন। দোম আন্তনীর গান পরবর্তীকালে খ্রিস্টীয় লোক-কবিদের হাত ধরে বিস্তার ও বিবর্তন লাভ করে।

১৮৩৫ সনে বড়দিনের রাতে এক অপ্রীতিকর ঘটনার কারণে পানজোরা থেকে তুমিলিয়া ও রাঙ্গামাটিয়া বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ১৮৮৬ সনে ১ সেপ্টেম্বর পোপ ১৩ শ লিও, ঢাকাকে পূর্ববঙ্গের প্রথম ধর্মপ্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করেন। ১৮৯১ সনে ১০ মার্চ বিশপ আগষ্টিন যোসেফ লুয়াজ সিএসসি ঢাকার প্রথম বিশপ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

পিটার দমিঙ্গো রোজারিও: ভাওয়াল অঞ্চলের তুমিলিয়া ধর্মপল্লীস্থ চড়াখোলা গ্রামের সন্তান পিটার দমিঙ্গা রোজারিও। তিনি একাধারে ছিলেন কাটেখিস্ট, শিক্ষক, সমাজনেতা, গীতিকার, সুরকার, পালাকার, নাট্যকার, সরকারি জুরিবোর্ডের সদস্য ও গায়ক। তৎকালে মুখে মুখে গীত ঠাকুরের গান, কষ্টের গানসহ আরও কিছু গান ছিল। এসব গানের অনেক কথা ও সুর শুদ্ধ এবং মান সম্মত ছিল না। দুঙ্গুপ-িত ঠাকুরের গানের ২২ টি পালা খাতায় লিপিবদ্ধ করেন। দেখা যায় যে, আজও সেই প্রাচীন সুর এবং কথাতেই গায়েনগণ ঠাকুরের গান গেয়ে যাচ্ছেন। গানের কাহিনীতে অতিরঞ্জন রয়েছে। গায়কী ও সুর বদলে দিচ্ছে যে যার মত করে।

পন্ডিতের রচিত ১৮টি গ্রন্থের মধ্যে যিশুর যাতনা ভোগের পালা (যিশুরলীলা), যিশুর জন্মের পালা, সাধ্বী আগ্নেসের পালা, যাকোবের পালা, সাধ্বী ফিলোমিনার পালা। নাটকের মধ্যে রঙ্গস্বামী, জোয়ান অব আর্ক, গোলাপফুল, আত্মদর্পণ। এছাড়া তিনি ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম সেক্সপিয়ারের হ্যামলেট, রোমিও ও জুলিয়েট, ম্যাকবেথ এর বাংলা অনুবাদ করেছে। অন্যান্য লেখার মধ্যে রয়েছে সাধু আন্তনীর গান, কষ্টের গান, যোগালী গান, বৈঠকী গান।

উল্লেখ্য যে পালাগানগুলি বাণী প্রচার কাজে এখন ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বৈঠকী গান এককালে ছিল গ্রাম্য সংস্কৃতির প্রাণ। এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। চড়াখোলা, রাঙ্গামাটিয়া, পিপ্রাশৈর ও মাল্লা দলের গায়েনদের প্রতিযোগিতা ছিল কতইনা আনন্দদায়ক। সরকারদের মধ্যে যোসেফ-আব্রাহাম ব্রাদার্স, জর্জ গমেজ, অরুন কস্তা, পিটার রিবেরু নাগর গায়েন, এডবিন কস্তা, মাল্লার এক প্রতিবন্ধী ভাই এমিস। আরও যারা অবদান রেখে গেছেন তাদের মধ্যে বুধাই (বুইদ্দা) কোড়াইয়া, গোপাল কোড়াইয়া, বিছান্তী রোজারিও, পেদ্রু রোজারিও, দাগু গমেজ, আলফ্রেড পালমা, লুকাস পালমা। এক কালে জমজমাট ছিল চড়াখোলার যিশুর লীলা, আগ্নেশের পালা, বৈঠকী গান, ঠাকুরের গান, নাটক, পিপ্রাশৈর গ্রামের বৈঠকীগান, ঠাকুরের গান, যিশুর লীলা ভেটুর গ্রামের যোহনের পালা, আগ্নেশের পালা, দড়িপাড়া গ্রামের আগ্নেশের পালা, লুদুরিয়া গ্রামের যিশুর লীলা, নাগরীর আগ্নেশের পালা। এগুলো এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। চড়াখোলা, পিপ্রাশৈর ও লুদুরিয়া এখনো যিশুর লীলা চালিয়ে যাচ্ছে।

লোক-সঙ্গীতের সবচেয়ে সুবিধা হলো শ্রোতাদের দীর্ঘসময় ধরে রাখা যায় আসলে লালন, রামপ্রসাদী, ও ভাটিয়ালী লোকজ সঙ্গীতের কোন জাত নেই। এগুলির কথা, সুর ও গায়কীর ফলে সর্বজনীন হয়ে হৃদয়কে স্পর্শ করে।

ভাওয়ালের আচার-অনুষ্ঠান: গায়ে হলুদ, বিয়ে, জুবিলী বার্ষিকীতে বাদ্যবাজনা এনে প্রচুর আনন্দ করা হয়। বড়দিনে পিঠা এবং পুনরুত্থান পার্বণে গুড়-মুড়ি নিয়ে একত্রে বসে বৈঠক খাওয়া হতো। সব শেষে একে অপরকে প্রণাম করতেন। ইদানিং বৈঠক প্রায় নেই বললেই চলে। সমাজ বলতেও এখন আর নেই। বড়দিনের কীর্তনে বয়স্ক এবং যুবকরাই অংশ নিতেন। এখন তিন দিনের বদলে শুধু একদিন কীর্তন করে মহিলা ও শিশুরা। বড়দিনের দুই তিন সপ্তাহ আগে থেকেই কত প্রস্তুতি, কত মহড়া চলত। এখন সেই সময় হয় না।

রোজ সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে মালা প্রার্থনা হতো। প্রার্থনা শেষে গুরুজনদের প্রণাম করে, আশীর্বাদ নেওয়া হতো। খরায় ফসল নষ্ট হলে জমিতে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করা হতো। মা মারীয়ার মাস এলেই রোজ সন্ধ্যায় গ্রামের সকলে মিলে হেঁটে হেঁটে মালা প্রার্থনা করা হতো। পুণ্য বৃহস্পতিবার সারারাত জেগে থাকত নানা খেলাধূলা করে যিশুর আদেশ মত। কাজের ফাঁকে হাডুডু বা দাঁড়িয়াবান্দা খেলা হতো। মেয়েরা খেলত এক্কাদোকা, চু আর পুতুল খেলা। এসবই এখন রূপকথায় কল্পনার মত মনে হয়। সারা বছর বা পালা-পার্বণে প্রতি পাড়ায় বা গ্রামে নাটক, পালাগান ঠাকুরের গান, বৈঠকী গান, যাত্রা লেগেই থাকত। সেইসব নির্মল আনন্দের দিনগুলো এখন আর নেই। রোববারে গির্জায় যাওয়া ছিল বাধ্যতামূলক। গির্জায় দান হিসেবে হয় একমুঠো চাল না হয় ক্ষেতের ফসল নিয়ে যাওয়া হতো। এখন শুধুই টাকার ঝনঝনানি। বর্ষাকালে নৌকায় চড়ে শূকর শিকারে যেতো দল বেধে। শুকর মারতে পারলে নৌকার সামনে রেখে গান করতে করতে বাড়ি নিয়ে আসত। গানটি ছিল “রসিকা নাগর আইল গো, শিগ্গির কইরা বান্দনে যাও”। সেই বর্ষা ও নেই, নৌকাও নেই, শিকারী ও নেই। নেই সেই দিন, সেই মন-মানসিকতা।

উপসংহার: আকাশ সংস্কৃতি বর্তমান প্রজন্মকে দারুণভাবে প্রলুব্ধ করছে। তাদের নিজস্ব কৃষ্টি সংস্কৃতি প্রায় ভুলে যাবার পথে। তারা বুঝতে পারছে না তাদের অতীতের সংস্কৃতির ভান্ডার কত সমৃদ্ধ ছিল। আকাশ সংস্কৃতি অতীতের কৃষ্টি ও ঐতিহ্য অনেকটাই গ্রাস করে ফেলছে। তাই আমাদের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হবে। এই গ্রামীণ সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে ম-লীসহ ভক্তগণকেও সক্রিয় হতে হবে এগুলো সংরক্ষণ ও চর্চার মাধ্যমে।

বর্তমানে মানুষ শোনার চেয়ে দেখতেই পছন্দ করে বেশী। তাই পালাগানগুলোর ভিসিডি করা হলে মানুষের ঘরে ঘরে বাজবে ও প্রদর্শিত হবে। উৎসব-পার্বণে-সেমিনারে এগুলো প্রদর্শিত হলে খ্রিস্টকে আর অন্যত্র খুঁজতে হবে না, আপন মনেই মানুষ খ্রিস্টকে অন্তরে ধারণ করতে পারবে। এখনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে এইসব লোকজ সংস্কৃতি প্রদর্শিত হলে অনেকেই তাদের শিকড়ের সন্ধান খুঁজে পাবে। তাই শিকড় বা উৎসকে সংরক্ষণ, লালন-পালন করতে না পারলে সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হবে না।

নিজস্ব সংস্কৃতি যত সমৃদ্ধ হবে, সে দেশ বা অঞ্চল তত দ্রুত উন্নত হবে। সংস্কৃতিই পারে মানুষে মানুষে গড়ে তুলতে মুক্তি ও মৈত্রীর সুদৃঢ় বন্ধন। কোন গানের কথা, সুর যদি হৃদয়কে স্পর্শ করে, তাহলে তার অহঙ্কারের আগুন ও বেদনার অশ্রুজলে রূপান্তরিত হয়॥

(লেখাটি ভাওয়াল খ্রীষ্টান মিলন উৎসব, উত্তর আমেরিকায় প্রকাশিত স্মরণীকায় পূর্বে প্রকাশিত)