সাহিত্য চর্চায় ভাওয়ালের খৃষ্টানদের অতীত ও বর্তমান

উইলিয়াম অতুল!

সম্রাট বাদশাহদের আমল থেকেই ভাওয়াল পরগণার একটি স্বতন্ত্র ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। পরবর্তীতে ভাওয়ালের রাজ পরিবার এই ইতিহাসে একটি দ্যোতনা সৃষ্টি করে। দেশজুড়ে এই কাহিনী নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে থাকে যাত্রা-থিয়েটার। কে না জানে ভাওয়াল রাজ পরিবারের এই বেদনাত্মক ইতিহাস! এই ভাওয়াল রাজ এস্টেটের নায়েব খৃষ্ট ধর্মাবলম্বী ভাওয়ালেরই লোক ছিল বলে জানা যায়। যথাযথ গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন না করায় আমাদের নতুন প্রজন্ম এ বিষয়ে কিছুই জানেনা। জানেনা ভাওয়াল পরগণার কোন ইতিহাস। জানেনা তাদের পূর্ব-পুরুষদের স্বধর্ম ত্যাগ করে বিদেশ থেকে আগত খৃষ্ট ধর্ম গ্রহণের সত্যিকারের ইতিহাস। কোন পরিস্থিতিতে কেন কি কারণে বা কি প্রয়োজনে দলে দলে ভাওয়ালের লোক নিজেদের বাপ-দাদার ধর্ম ত্যাগ করে সম্পূর্ণ নতুন খৃষ্টধর্ম গ্রহণ করল তা জানা একান্ত আবশ্যক। নিজেকে না জানলে যেমন জগৎকে জানা যায় না ঠিক তেমনি নিজেদের অতীতকে না জানলে একটি জাতি-গোষ্ঠির প্রকৃত বিকাশ ঘটেনা। অতীতের ওপরই মাথা তুলে দাঁড়ায় বর্তমান আর বর্তমানের ওপর অনাগত ভবিষ্যৎ! আত্মজ্ঞানে যে জাতি যত সমৃদ্ধ তার ভবিষ্যৎ তত মজবুত ও উন্নত। তাই, সর্বাগ্রে প্রয়োজন আত্মোপলব্ধি।

খুশীর খবর দেশের ভাওয়ালবাসীর মিলন মেলা না হলেও বিদেশের মাটিতে তাদের মিলন মেলা হচ্ছে। দূর প্রবাসে থাকায় হয়তো শিকড়ের টানেই এমনটি সম্ভব হচ্ছে। দেশে থেকে দেশকে সম্যক অনুভব করা না গেলেও বিদেশে গেলে ঠিকই বোঝা যায় যে দেশ জিনিসটা কি? সেখানে শত্রু-মিত্র ভেদাভেদও থাকে খুব কম। কিছু একটা করার ইচ্ছা জাগে দেশ-জাতি সমাজের জন্য। সমিতি সংগঠন করার তাগিদ আসে মনে ও প্রাণে। আর তা থেকেই করা হয় এইসব মিলনমেলা বা উৎসবের আয়োজন। দেশে-বিদেশে এমনটি আজকাল বেশ লক্ষ্য  করা যাচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট এলাকার লোকজন মিলে মিলন মেলার নামে হৈ চৈ, উৎসব অনুষ্ঠান করছে। স্মরণীকা প্রকাশ করছে। নিজেদের অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ নিয়ে গবেষণা করছে। যেকোন জুবিলী অনুষ্ঠানের ন্যায় ঘটা করে আত্ম-মূল্যায়ন করছে। আমাদের ভাবী প্রজন্মের জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি সুখবর। আত্ম-অনুসন্ধানের মাধ্যমে যথার্থ আত্ম-পরিচয় লাভই তাদেরকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়ে মহৎ মানুষে পরিণত করতে পারে। ভাবী সমাজে আমরা এই সৎ শুদ্ধ সঠিক ও সত্য মানুষের বিকাশ চাই। চাই প্রকৃত মানবতা ও যথার্থ মূল্যবোধের বিকাশ। আমরা আকাশের জ্বলন্ত সূর্যটার পানে তাকিয়ে আপন আপন আত্ম-পরীক্ষায়  ব্রতী হতে চাই। নিজ নিজ বিবেক ও বোধের কাছে মানব জন্ম স্বার্থক করে তোলার জন্য কিছু একটা করে মরার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে চাই। বংশ মর্যাদার মান, বাপ-দাদার নাম সহ ভাওয়ালের ঐতিহ্য ও সুনাম বৃদ্ধিতে সক্রিয় হতে চাই।

সেই চর্যাপদ থেকেও শুরু করলে বাংলা সাহিত্যের বয়স মেলা দিনের। সেই তুলনায় বঙ্গদেশে খৃষ্টধর্মের আগমন হালের। তথাপিও পাঁচশ বছর নেহায়েৎ কম নয়। পতুগীজ নাবিক সেই ভাস্কো-দা গামার অনুসারীরাই বঙ্গে খৃষ্টধর্মের বীজ বপন করে। প্রধানতঃ ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যেই রচিত পুস্তকাদির সাহিত্যমূল্য স্বভাবতই কম। তবে, কালের বিচারে এগুলির ঐতিহাসিক মূল্য অনস্বীকার্য। বিশেষতঃ বাংলা গদ্য সাহিত্যে এদেশের খৃষ্টান মিশনারীদের অবদান সর্বজনবিদিত। পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে রোমান হরফে মুদ্রিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রকাশিত বই কৃপাশাস্ত্রের অর্থভেদ বইটি ফাদার মানুয়েল আসুম্পসাঁও কর্তৃক নাগরী মিশন থেকে লেখা হয়েছিল। আর বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে শ্রীরামপুরের বা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বিদেশী পন্ডিৎ পাদ্রী উইলিয়াম কেরীর কথা কে না জানে? পবিত্র বাইবেলের বাংলা তর্জমাও তিনি প্রকাশ করেছিলেন। এঁরা উভয়েই ছিলেন বিদেশী শ্বেতাঙ্গ। শোনা যায়, কবিয়াল এন্টনী ফিরিঙ্গির কথা। তিনি কি খাঁটি বাঙ্গালী ছিলেন? আর আরাকানের মগ জলদস্যু কর্তৃক অপহরণকৃত যশোর ভূষণার যুবরাজ দম আন্তোনিও? শোনা যায়, তিনি ছিলেন অসাধারন বাগ্মী! তার জ্ঞানগর্ভ ভাষন-বক্তৃতা শুনে মন্ত্রমুগ্ধ মানুষ হ্যামিলনের বংশীবাদকের ন্যায় দলে দলে তার পিছু নিয়ে ধর্মান্তরিত হতে থাকে। যশোরের আরেক বিস্ময় মহাপ্রাণ যাঁকে মেঘনাদ বধ মহাকাব্য লেখার জন্য মহাকবিও বলা হয় খৃষ্টধর্মে দীক্ষিত জমিদারপুত্র সেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের কথা আমরা কতটুকুই বা জানি? আমরা কি এসব জ্ঞানী-মনিষীদের তাঁদের প্রাপ্য সন্মানটুকু দিই? কেনÑনা? জানিনা আমাদের অন্তরের এই দীনতা ঘুচবে কবে? আর যে সমাজে প্রকৃত জ্ঞানীগুণীর কদর নাই সে সমাজে জ্ঞানী-গুণী জন্ম নিবে কি করে ??

ভাওয়াল আমার পিতৃ-পুরুষের এলাকায় আমার জন্ম উত্তরবঙ্গের মাটিতে। ভাওয়াল আমার মূল- আর আমি তার কাটা ডালের কলব। তথাপিও মূলের দায় অস্বীকার করতে পারি না। মাটির মমতা ও রক্তের টান বুঝি একেই বলে! এবারে আমাদের গর্ব ও অহংকার- ভাওয়ালের মাটিতে ফলা সেই সোনার মানুষটির কথা বলি। কে না জানে সে স্বর্গপ্রতিভা পিটার ডমিঙ্গো রোজারিও ওরফে দুঙ্গু পন্ডিতের কথা? এযাবৎ কালে তার ন্যায় জনপ্রিয় রচয়িতা সমগ্র ভাওয়ালে আর কেউ নেই। তাঁর রচিত ঠাকুরের গান দেশের সর্ব-সাধারণের নিকট সর্বভাবে সমাদৃত। তাঁর রচিত সাধু আন্তুনীর গান, কষ্টের গান, বৈঠকী গান, যীশুলীলা, সাধ্বী আগ্নেশের পালা, সাধু আগষ্টিনের পালা এমন প্রায় ১৮ টি পালা গানের কথা শোনা যায়। লোকায়ত গ্রামবাংলার কোন বাড়ীর উঠানে হ্যাজাক লাইটের আলোতে যাত্রাপালার ন্যায় এসব পালা মঞ্চস্থ হত। বাহারী ঢংয়ের পোষাকে অভিনয়সহ ধুয়াধারক দোহার সমন্বয়ে খোল-ঢোল-মন্দিরা-খঞ্জনী-বাঁশী-সারিন্দা-দোতারা-হারমনিয়ামের বাদ্য সহযোগে এগুলি পরিবেশিত হত। প্রাচীন বাংলার লোকজ ধারার রামলীলা-কৃষ্ণ লীলার পদাবলী কীর্ত্তনের সুরধাঁচে রচিত এই লীলা গানগুলি শ্রোতা-দর্শককে মোহিত করে হাসি-কান্নার অন্য জগতে নিয়ে যায়। তাঁর রচিত এই অমূল্য সম্পদ সংরক্ষনের দায় আপমর ভাওয়ালবাসীর। খুব স্বল্প সময়েই ভাওয়ালের এই অমূল্য সম্পদ যে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাবে তা জোর দিয়েই বলা যায়। বড়ই দুঃখ লাগে চোখের সামনে এসব মূল্যবান ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে দেখে। ইতিমধ্যে কিছু কিছু মূল রচনা হারিয়ে যাওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। অবিলম্বে এবং প্রয়োজনে দূর প্রবাসে ভাওয়ালবাসীর এই আমেরিকা সন্মেলন থেকেই একটি ডমিঙ্গো পন্ডিৎ স্মৃতি তহবিল গঠন করে খুব অল্প ব্যায়েই তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্ম মুদ্রণ ও পালাগানগুলির সচিত্র ভিডিওগ্রাফি করে রাখা যায়। ভাওয়ালের যেকোন সংগঠন তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর নামে একটি পাঠাগার, পুরস্কার বা পদক প্রবর্তন করতে পারে।

দুরদর্শী চিন্তক ভাবুক লেখকেরা সমাজের  সবচে সংবেদনশীল অঙ্গন সে কারণেই লেখক-সাংবাদিকদের বুদ্ধিজীবি বলা হয়। সমাজ-সংসারের যেকোন বিষয়কে একজন লেখক দেখেন তার দিব্যদৃষ্টিতে। দিব্যজ্ঞানে লব্ধ চেতনাকেই একজন লেখক ধারণ করেন তার লেখনীত। গল্প উপন্যাস ছড়া কবিতা নাটক সঙ্গীত প্রভৃতিকেই আমরা সাহিত্য বলে থাকি। অতীত নিয়ে গবেষণার কাজে আদৌ কোনপ্রকার খোঁড়াখুঁড়ি না হওয়ায় ভাওয়ালের ইতিহাসে একমাত্র জ্ঞানতাপস পিটার ডমিঙ্গো রোজারিও ওরফে দুঙ্গু পন্ডিৎ ছাড়া আর কোন  শিল্প-সাহিত্য সাধকের নাম আমাদের জানা নাই।  জানা যায়, নাগরীর তৎকালীন বিদেশী মিশনারী আমেরিকান ফাদার গেডার্ড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক একটি বই রচনা করেছিলেন যা প্রকাশিত হয়নি। আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ ঘটনা ১৯৭১ কেন্দ্রিক এই স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের বিদ্রোহী চেতনা ও তার অসীম আবেগ-উত্তেজনা ভাওয়ালের  খৃষ্টান লেখক সমাজকেও অনুপ্রাণিত করে। তারা শুরু করেন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা স্মরণীকা- সংকলনে লেখালেখি। ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের  সাপ্তাহিক প্রতিবেশী পত্রিকাটি এক্ষেত্রে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ছোটদের আসরের পরিচালক নির্মলদা ওরফে মার্ক ডি’ কস্তা  এই প্রতিবেশী পত্রিকাতেই কর্মরত ছিলেন। শোলপুরের নিধন ডি’ রোজারিওর ন্যায় তিনিও এসময় ভ্রমনকাহিনী ও ধর্মীয় নাটক রচনা শুরু করেন। নাটক লিখেন জর্জ ডি’ রোজারিও।  মন্সিনিয়র   মাইকেল ডি’ কস্তা লিখেন তাঁর শিকার কাহিনী। ফাদার উর্বান কোড়াইয়া, ফাদার পৌল গমেজ, এডভোকেট আন্দ্রেয়াস গমেজ, যাখারিয়াস কস্তা, সিলভেষ্টার সরোজ রোজারিও, ফাদার জ্যোতি এ গমেজ, আলেকজান্ডার রোজারিও, হেলেন গমেজ প্রমুখ নানা বিষয়ে লেখালেখি শুরু করেন। শিক্ষাসাধক ব্রাদার জন রোজারিও সাপ্তাহিক প্রতিবেশীতে কথকতা নামে নিয়মিত জ্ঞানগর্ভ কলাম লিখেছেন।

ভাওয়ালের পরবর্তী প্রজন্মের যুবকদের মধ্য থেকে এসময় পত্র-পত্রিকা ও বিভিন্ন সংকলনের লেখালেখির জগতে এগিয়ে আসেন সাংবাদিক যেরোম ডি’ কস্তা ও চিত্ত ফ্রান্সিস রিবেরু। যেরোম ডি’ কস্তা ‘বাংলাদেশে ক্যাথলিক মন্ডলীর ইতিহাস’ বই লিখে বেশ সাহসের পরিচয় দেন। দীর্ঘদিন যাবৎ মূল্যবান এই বইটি বাজারে পাওয়া না যাওয়ায় আমাদের ভাবী প্রজন্ম তাদের পূর্ব-পুরুষদের সম্পর্কে জানা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে বইটির পুনঃমুদ্রণের বিষয়ে প্রতিবেশী প্রকাশনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আর চিত্ত ফ্রান্সিস রোজারিও করে বসেন আরেক সাহসের কাজ। তিনি ‘শিখা অনির্বাণ’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সরকারী ডিক্লারেশন নিয়ে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত খরচে তা প্রকাশ অব্যাহত রাখেন। নাটক, টিভি নাটকের স্ক্রিপ্ট ও গল্প লেখা শুরু করেন শক্তিমান লেখক সুনীল পেরেরা। তিনি এক সময় দেশের বুদ্ধিজীবিদের চারণক্ষেত্র বাংলাদেশ পরিষদে কর্মরত ছিলেন। গল্প লিখেন অরুন ফ্রান্সিস রোজারিও ও ডেভিড স্বপন রোজারিও। প্রবন্ধ লিখেন ডাঃ নেভেল ডি’রোজারিও। আর কবিতা লেখেন রবীন কস্তা।

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে আত্মপ্রকাশ ঘটে এক ঝাঁক তরুণ লেখকের যার মধ্যে রয়েছেন- আলো ডি’ রোজারিও, খ্রীষ্টফার পিউরীফিকেশন, স্বপন খ্রীষ্টফার পিউরীফিকেশন, বাবুল সি কস্তা, মার্ক পেরেরা, সুবীর কাস্মীর পেরেরা, দিলীপ টমাস রোজারিও, অতুল আই গমেজ, থিওফিল রিবেরু সবুজ, জন মার্টিন ডি’ রোজারিও প্রমুখ। আরো পরে এই জগতে আত্ম-প্রকাশ ঘটে ফাদার তপন ডি’ রোজারিও, পি আর  প্লাসিড, দীপক এফ পালমা, রাখী রীটা রোজারিও, দিলীপ ভিন্সেন্ট গমেজ, সাগর কোড়াইয়া, আলেক রোজারিও প্রমুখের। জাপান প্রবাসী  পি আর প্লাসিড সুদূর জাপানে থেকেও বিবেক বার্তা নামে একটি অনলাইন বাংলা পত্রিকা সুদীর্ঘকাল যাবৎ নিয়মিত সম্পাদনা করে যাচ্ছেন। টেলিফিল্ম ও টিভি নাটকের স্ক্রিপ্ট রচনায় হাত দেন বিন্দু রোজারিও ও টনি মাইকেল গমেজ। ছাপার হরফে ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে এঁদের অনেকের  বই। রঞ্জন রোজারিও, সুশান্ত পালমা ও ডানিয়েল ডি’ কস্তা প্রেস ব্যবসায় নিয়োজিত হন। যথাযথ মূল্যায়ন ও গবেষণার অভাবে এসব বই-পুস্তকের সাহিত্যমূল্য নির্ধারন রয়ে গেছে এখনও বাকী। দেশে ভাওয়ালের খৃষ্টানদের একটি কৃষ্টি ও সাহিত্য গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলা গেলে ভবিষ্যতে হয়তো কাজটি সহজতর হবে।

(লেখাটি ভাওয়াল খ্রীস্টান মিলন উৎসব ২০১৭, উত্তর আমেরিকায় প্রকাশিত স্মরণীকায় পূর্বে প্রকাশিত)