প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট পি.আর. প্ল্যাসিডের খোলা চিঠি

 

প্রতি

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

পি.আর. প্ল্যাসিড, টোকিও (জাপান) থেকে।

পি. আর. প্ল্যাডিস

—————————————————————

সূর্য উদয়ের দেশ জাপান থেকে আপনাকে প্রাণ ঢালা শুভেচ্ছা।

জাপান এমন একটি দেশ, যে দেশকে পৃথিবীর নিরাপদ দেশ গুলোর মধ্যে একটি ধরা হয়। এই নিরাপদ দেশে দীর্ঘ সময় বসবাস করার পর যা দেখলাম, এখানেও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে। একদম ঘটে না যে, তা বলছি না। সব দেশেই কম বেশী বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা-দুর্ঘটনা ঘটে।

আপনি প্রধানমন্ত্রী হবার আগে যখন বিরোধী দলের নেত্রী ছিলেন তখন জাপান এসেছিলেন। তারপর দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করে, দেশবাসীর মুখে হাসি ফুটাতে এবং দেশের জনগণকে স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ পাইয়ে দিতে লড়াই এবং জেল জুলুম খেটে ক্ষমতায় যেতে সক্ষম হলেন। ক্ষমতায় যাবারপর এপর্যন্ত আপনার জাপান ভ্রমণের তালিকায় সংখ্যা বেড়ে তিনবার হলো। এরমধ্যে জাপানে আপনাকে দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনার প্রতিটি অনুষ্ঠানেই আমি উপস্থিত হয়ে আপনার কথা খুব কাছ থেকে শুনেছি। প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে জাপান আসার পর হোটেলে আপনার রুমেও আমার যাবার সুযোগ হয়েছে। আপনার প্রতি বিশেষ কারণেই আমার আলাদা এক শ্রদ্ধা ভক্তি জন্মেছে। তা একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেই নয় শুধু, পাশাপাশি আপনার মতন নিঃশ্বার্থ দেশ প্রেমী ও জনদরদী কোন নেতা আমার বয়সে এখন পর্যন্ত বাংলার মাটিতে পাইনি। এটাও কারণ হতে পারে। আপনি যে মানুষকে কতটা ভালোবাসেন সেটা দেশবাসী এখন অন্য নেতাদের সাথে তূলনা করতে গিয়ে অনুধাবন করতে পারছে।

বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানতে পারলাম শীঘ্রই আপনার আবার জাপান সফরের সম্ভাবনা রয়েছে । শুনে ভালো লাগলো, কারণ জাপানের মতন দেশে যে কোন রাষ্ট্রের প্রধানদের ঘনঘন আসাটা অবশ্যই পজেটিভ। জাপানের রাষ্ট্র প্রধানের সাথে আপনার বিশেষ সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি জাপানের জনগণের ভালোবাসার কারণেই সম্ভবতঃ এটা সম্ভব হচ্ছে। দেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই দেখে আসছি (ইতিহাস) জাপান বাংলাদেশের ভালো এক বন্ধু। জাতির পিতাও তাঁর জীবদ্দশায় জাপান এসেছিলেন রাষ্ট্রীয় সফরে।

জাপানে আমরা বসবাস করে একটা বিষয় খুব বেশী বলি এবং অন্যদেরকেও বলতে শুনি, জাপান এবং বাংলাদেশের পতাকার মধ্যে এক ধরনের মিল রয়েছে। তা হচ্ছে, পতাকার মাঝখানে লাল, চারি পাশে সবুজ / সাদা। এটুকুই আমাদের গর্ব বা অহংকার। এছাড়া জাপান এবং জাপানিদের সাথে আমাদের আর কোথায় মিল আছে বলে মনে হয় না। আমি তো অন্য কোথাও আর কোন মিল খুঁজে পাই না। তবে হ্যাঁ, আরো একটা জায়গাতে মিল রয়েছে, তা হচ্ছে, নকল করা। জাপানিরা যে কোন কিছু দেখে নকল করে, তবে ওরা সেটার উন্নত ভার্সন তৈরী করে। আর বাংলাদেশ করে সব ভালো জিনিসের খারাপ ভার্সন। যেমন জিঞ্জিরাতে বা অন্য কোন ছোট খাট কোম্পানীতে হয়, যা আমরা আজকাল টেলিভিশনের বদৌলতে দেখতে পাই।

প্রবাসে বসে দেশের মানুষদের কথা চিন্তা করলে মন খারাপ হয়। মনে হয় আমাদের দেশের মানুষদের ধৈর্য্য শক্তি অনেক বেশী। এত দুঃখ কষ্ট দেশের মানুষ সয় কি করে? অনেক কথাই মনে জমা হয়ে গেছে। কাকে বলবো সেসব কথা? কি করে বলবো? কে-ই বা শুনবে আমার সেই কথা? ভেবে কোনো কূল কিনাড়া না পেয়ে অনেক সময় নিজেই মাথার চুল টেনে মনের কষ্ট হাল্কা করি।

জীবনে আমার স্বপ্ন ছিল বড় লেখক-সাংবাদিক হবার। সাংবাদিকতা শুরু করেছিলাম ছাত্র জীবনেই, বিভিন্ন কারণে তা ধরে রাখতে পারিনি। পারিনি বললে ভুল হবে, ইচ্ছে করেই ধরে রাখিনি। কারণ, অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি, প্রবাসে বসে বাংলাদেশী কমিউনিটির মধ্যে সাংবাদিকতা করলে যেন মানুষের সাথে শত্রুতা বাড়ে। সবসময় সত্য কথা বলা যায় না। আগে সাংবাদিকদের বলা হতো সমাজের দর্পণ। আর এখন বলা হয় ক্ষমতাধরদের চামচা। সমাজ পতিদের সচেতনতা এবং বিবেকবুদ্ধি লোপ পেয়ে গেছে যেন। যে কারণে সাংবাদিকরা কারো কারো হাতের খেলার পুতুল হয়ে গেছে। সমাজ বদলাবে কি করে?

আজকাল রাত জেগে প্রায়ই একটা বিষয় নিয়ে ভাবি। আবার আমাকে লিখতে হবে, যেভাবে শুরু করেছিলাম অনেক আগে, ছাত্র জীবনে। লেখা শুরু করার আগে পরম করুনাময় আল্লাহ তালার কাছে প্রার্থণা করে মন স্থির করেছি, পিছনে যা হবার, তা হবে, শুরু আমাকে করতেই হবে। কারণ দেশের জন্য যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল, তারা তাদের ভবিষ্যতে কি হবে, তা কখনো ভাবেনি। এমনকি শত্রুর হাতে ধরা পরে মরতেও হতে পারে। এসব কিছু জেনেই কিন্তু দেশ ও দেশের মানুষদের জন্য যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। আমরা এখন আর অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করতে পারবো না ঠিক, কলম তো আছে হাতে। এই কলম দিয়ে না হয় মানুষকে সচেতন করা যায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে। যে কোন সরকার যদি অন্যায় কিছু করে, তার প্রতিবাদ আমাদের জানাতে হবে। সরকার যদি সেটা রিয়েলাইজ করে তবেই মঙ্গল। তবেই বদলাবে সমাজ তথা দেশ ও জাতি। আমি জানি অনেক সত্য বলার জন্য আমাকে নির্যাতনও সইতে হতে পারে, তা না হয় সইবো। তবুও সমাজ বদলানোর জন্য যুদ্ধ করে যাবো।

আজকে (যখন লিখছি) হঠাৎ একটা সংবাদের দিকে আমার নজর কাড়লো। সংবাদটি ছিল এমন, প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে ভারতের টিভি চ্যানেলের খ্যাতিমান তারকা (মিরাক্কেল এর চ্যাম্পিয়ন), নাটোর জেলার কৃতি সন্তান আবু হেনা রনির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বা এই জাতীয় কিছু। এর কয়েক মুহুর্ত পরেই আবার মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি, রনি তার অনিচ্ছাকৃত এমন ভুলের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন। দুটো বিষয়কেই আমি স্বাগত জানাই। (এক.) প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটুক্তি করায় যুবলীগ নেতা কর্তৃক মামলা করা। আর (দুই.) ভূল বুঝতে পেরে সাথে সাথে ক্ষমা চেয়ে সামাজিক সাইট থেকে রনি তার কটুক্তি করে দেওয়া স্ট্যাটাসটি তুলে নেওয়া।

আমি আপনাকে কটুক্তি করে কিছু লেখার এই বিষয়টিকে সমর্থন করছি না। আমার প্রশ্ন, মাত্র কিছুদিন আগে বনানীতে যে ঘটনা ঘটে গেল (বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষনের ঘটনা) এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিম যখন থানায় গিয়ে মামলা করতে চায়, তখন কিন্তু তার মামলা গ্রহণ করা হয়নি। মামলা গ্রহণ না করে কর্তৃপক্ষ যে নাটকীয়তার সৃষ্টি করেছে তা মোটেও সমর্থন যোগ্য নয়। এসময় সেখানে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ছেলে বা সদস্যদের সচেতনতা কেন নীরব ছিল? এ প্রসঙ্গে আমি একটি বিষয় মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর জন্য জনগণ নয়, বরং জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রী। সুতরাং জনগণের সুবিধা-অসুবিধা, নিরাপত্তাটাই দেখা উচিৎ সবার আগে।

বাংলাদেশে পুলিশ বিভাগের সদস্যস্য-কর্মকর্তাদের ব্যস্ততার শেষ নেই। আমি জানি তারা যে বর্তমানে কতটা ব্যস্ত। কিন্তু জানি না শুধু কি নিয়ে তারা ব্যস্ত। যে জনগণের টাকায় তাদের বেতন হচ্ছে, সেই জনগণের সুবিধা অসুবিধা একশ ভাগ না দেখুক, কিছুটাতো অন্তত দেখবে। বনানী থানার ঘটনাই বলছি, ধরে নিলাম উপরের কোন চাপে থানা কর্মকর্তা হয়তো বিষয়টি আমলে নেননি। কথা হচ্ছে, আসামী খোঁজার কাজে অবহেলা করলে বোঝতাম সমস্যা আছে, কিন্তু টেবিলে বসে ফ্যানের বাতাস খেয়ে যে সময়টুকু ভিকটিমের সাথে কথা বলে কাটিয়েছে আরো কয়েকমিনিট সময় নষ্ট বাড়িয়ে মামলাটা লিখে নিলে এমন কি সমস্যা হতো পুলিশ কর্মকর্তার?

দেশে চলমান ঘটনার কোনটির চেয়ে কোনটি কিন্তু কম দুঃখ জনক বা মর্মান্তিক নয়। সব হয়তো আপনার নলেজে নেই। এখানে সব উল্লেখ করাও সম্ভব নয়। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় যা সামাজিক সাইটের মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং জনগণের দৃষ্টি গোচর হয়ে যায়, সেগুলিকে অন্তত আড়াল করার চেষ্টা না করলে জনগণের টাকায় চালিত প্রতিষ্ঠান গুলির গায়ে কোন গন্ধ বা কালো দাঁগ লাগবে না। পাশাপাশি গাজীপুরে বাবা-মেয়ের রেল লাইনে গিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাপ দেওয়ার ঘটনার কথা যদি বলি, তাহলে বলতেই হয়, প্রতিবাদের ভাষা মানুষকে কখনো শিখিয়ে দিতে হয় না। প্রতিবাদের ভাষা মানুষের প্রয়োজনে ভিতর থেকে জন্মায়। সব প্রতিবাদ কি লিখে করা সম্ভব? আর সবার পক্ষেই কি প্রতিবাদ করা সম্ভব? সব কি রাজপথে দাঁড়িয়ে করা যায়? মিছিল, মিটিং, বক্তৃতায়?

আপনার একদিনের সময় থেকে মাত্র একটা মিনিট সময় বের করে একবার ভাবুন দেখি? আপনাদের কাছে বিচার চেয়ে বিচার না পাবার দুঃখে, অপমান সইতে না পেরে বাবা তার নিস্পাস শিশু মেয়েকে নিয়ে সমাজের বিত্তবান আর ক্ষমতাধরদের বিরুদ্ধে ঘৃণা দেখিয়ে চলে গেল এই পৃথিবী থেকে। তাও আবার অভিনব প্রতিবাদের ভাষা দেখিয়ে।

আপনি প্রধানমন্ত্রীর এই চেয়ারে আজ আছেন, কাল নাও থাকতে পারেন, কিন্তু আপনি একজন মা। মৃত্যু পর্যন্ত এই মা-ই থাকবেন। সেই মায়ের দৃষ্টিকোন থেকে একবার বিষয়টি ভাবতে বলছি। সারা বাংলার চিত্র আপনার নখদর্পণে আছে আমার ধারনা। কিন্তু এই যদি হয় আমাদের সংশ্লিষ্ট বিভাগের অবস্থা তাহলে আপনার সরকারের আমলে দেশের মানুষ যেখানে সবচেয়ে বেশী নিরাপত্তার কথা ভাবে, এরা যাবে কোথায়?

দেশের কোথায় কি ঘটছে তা আপনার জানা থাকার কথা। যে কারণে এখনই ঘোষণা দিচ্ছেন মন্ত্রীদের রদবদল নিয়ে। ভাবছেন আগামী নির্বাচনে নেতাদের মনোনয়নের বিষয়টিও। আপনি জেনেও যদি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেন, তাহলে কেউ আর বিচার চাইবে না। দেখা যাবে একজন দুইজন ভিকটিম হয়তো নীরবে সহ্য করবে। এরপর দলীয় ভাবে তারা যখন নিজেরাই প্রতিবাদের ঝড় তুলবে, তখন সারা বাংলায় আগুন জ্বলবে যা আপনার সরকারের পক্ষে সামাল দেওয়াটাও হয়তো সম্ভব হবে না। আগুন মানে শুধু জ্বালাও পোড়াও নয়। ভিন্ন ভাবেও করতে পারে।

জাপান দিয়ে শুরু করেছিলাম। জাপানের কথা বলেই শেষ করি। বাংলাদেশের অনেক বড় কর্তার সাথে আমার কথা হয় বা হয়েছে এপর্যন্ত। তাদের সাথে দেশের এ ধরনের প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে শুরু করলে বলেন, সবদেশেই এমন হয়, তবে, কম আর বেশী। এই যা। আমাদের দেশের জনসংখ্যা বেশী, সেই অনুপাতে বেশী ক্রাইম হতেই পারে। এটা নিয়ে টেনশন করার কিছু নেই।

এমন অনেক অসংলগ্ন উত্তর আসে কথা বললে। তাই বলছি, আইন সব দেশেই আছে। সবার ক্ষেত্রেই সমান প্রযোজ্য। দেশে আজকাল যে হারে ধর্ষণের বিষয়টি মহামরির মতন রূপ নিতে যাচ্ছে, এটি এখনই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে না আসলে, অদূর ভবিষ্যতে দেশের জন্য কখনোই মঙ্গল বয়ে আনবে না। ইভটিজিং-এর মতন ঘটনা তো সামাজিক সাইটের এবং অণ্য বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রতিনিয়তই দেখছি। দেশে যেটাকে ইভটিজিং বলে, জাপানে সেটাকে বলে চিকান। এখানেও যে এমন ঘটনা ঘটেনা তা কিন্তু নয়। এখানে ঘটে এধরনের ঘটনা ঘটে বলেই বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জায়গাতে এ সংক্রান্ত সতর্কী করণ করা রয়েচে। এমনকি ট্রেনেও প্রতিনিয়ত ভিড়ের সময় ঘোষণা দিয়ে যাত্রীদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে। তারপরেও যদি দু’চারটা ঘটে যায় তার শাস্তি অবধারিত। অর্থ দন্ড তো আছেই, সামাজিক ভাবেও বড় রকমের শাস্তি পেতে হয়, যারা এধরনের কোন ঘটনা ঘটায়, তাদের। এমনকি চাকুরীর ক্ষেত্রেও তাকে মাসুল দিতে হয়। কেউ এখানে চিকান (ইভটিজ) করলে তার সারা জীবনের জন্য চরিত্র সার্টিফিকেট ভিন্ন ভাবে লেখা হয়, যাতে করে সে কখনো আর সমাজে ভালো মানুষ হিসাবে কোথাও কোন কাজ করতে পারে না।

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, আমি আপনার ধৈর্য্য চ্যুতি ঘটাতে চাই না। আজ চিঠি লেখা শুরু করলাম, আগামীতে আবারো লিখবো। আশা ও বিশ্বাস আপনি বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিবেন। তবেই আমাদের দেশ জাতি হবে উন্নত। বিশ্বের বুকে আমরা ভালো মনের জাতি হিসাবে নিজেদের পরিচয় দিতে সক্ষম হবো।

চোখের সামনে এত অনিয়ম যে, কোনটা রেখে কোনটা নিয়ে কথা বলবো ভেবে পাচ্ছি না। কথা হচ্ছে, সরিষার ভিতর যদি ভূত থাকে সেই ভূত সাড়াবে কে? আপনাকেই আবাদ করতে হবে সেই ভালো এবং উন্নতমানের সরিষার।

আপনার শুভ ও মঙ্গল কামনা করছি। সে সাথে দীর্ঘায়ু কামনা এবং আপনার মিশন ও ভিশন সফল হোক সেই প্রত্যাশায়-

————

পি.আর. প্ল্যাসিড

লেখক : জাপান প্রবাসী লেখক।

১৩ মে ২০১৭, টোকিও জাপান।

ই-মেইল : prplacid@gmail.com