চন্দ্রঘোনায় তালপত্র রবিবার উদ্যাপন

থয়সাপ্রু খিয়াং:

আজ ভোর হওয়ার সাথে সাথেই চন্দ্রঘোনা ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের সান্ডেস্কুলের ছেলে মেয়েরা খেজুর গাছের কচি ডগায় নানা রকমের ফুলে সাজিয়ে একত্রিত হয় । হোশান্না ! হোশান্না ! এ এলেন শান্তিরাজ, ধন্য ! তিনি ধন্য ! পথ খুল যিশুর জন্য; নিজ রাজ্য লইবেন আজ- এই গান করতে করতে মিশন এলাকায় কুষ্ঠ হাসপাতাল প্রাঙ্গণ পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে । শিশুদের সাথে সাথে কণ্ঠ মিলিয়েছেন সান্ডেস্কুল শিক্ষক, অভিভাবক এবং চার্চের সভ্য-সভ্যা, পরিচারকসহ ছাত্র-ছাত্রীরা । অবশেষে পাম সানডে’র র‌্যালিটি চার্চের মধ্যে গিয়ে শেষ হয় । উক্ত দিনে উপাসনা পরিচালনা করেন, চার্চের সম্মানিত পালক, রেভা: রণজিৎ কুমার বাইন মহোদয় । তিনি এ সময় পাম সানডে’র মমার্থ এবং তাৎপর্য উপাসক মন্ডলীদের মাঝে তুলে ধরেন ।

প্রসঙ্গত, আজ হতে দুই হাজার বছর পূর্বে প্রভু যিশু খ্রিস্ট এই ধরায় জন্ম নিয়েছিলেন সমগ্র মানব জাতির পাপের পরিত্রাতা হিসেবে। তিনি পাপের নিমজ্জিত মানুষের পরিত্রাণের মুক্তির বারতা নিয়ে ধরায় এসেছিলেন। তাইতো খ্রিস্টের জন্ম-মৃত্যু-পুনরুত্থান খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুনরুত্থানের আগের রবিবার তালপত্র রবিবার হিসেবে পবিত্রভাবে পালনের মধ্য দিয়ে খ্রিস্টের ক্রুশীয় যন্ত্রণা মৃত্যু এবং পুনরত্থানের আগাম বার্তা বয়ে আনে । সেই দিন যিরুশালেম শহরে গাধায় চড়ে প্রভু যিশু খ্রিস্ট মহান রাজার বেশে বিজয় যাত্রা করেছিলেন । শত শত জনতা নিজেদের বস্ত্র বিছিয়ে দিয়েছিলেন এবং চিৎকার করে বলেছিলেন, “ধন্য সেই রাজা, যিনি প্রভুর নামে আসিতেছেন; স্বর্গে শান্তি এবং উর্দ্ধলোকে মহিমা”। তাইতো এই দিনের তাৎপর্য মহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাসী খ্রিস্ট ভক্তদের কাছে ।