মেরিল্যান্ডে বড়দিন উদযাপন

Published:

সুবীর কাস্মীর পেরেরা

যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় উত্তর আমেরিকার মেট্রো ওয়াশিংটন এলাকায় বাঙালি প্রথায় পালিত হলো খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। দিনটিকে ঘিরে ছিল নানা আয়োজন। বাড়ি বাড়ি সেজেছিল নানা রঙের বাতি ও খ্রিষ্টমাস ট্রিতে। ছিল ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবারের সমাহার। সাথে বড়দিনের কেক, পিঠা, পোলাও, মাছ, মাসং ও ভাত।
বড়দিনের সকালে সেন্ট ক্যামিলাস ক্যাথলিক গির্জায় স্থনীয় প্রবাসী খ্রিষ্টানদের আয়োজনে খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করেন ভারতীয় ধর্মযাজক ফাদার অনিল গনসালভেস। খ্রিষ্টান অধ্যষিত এলাকা মেরিল্যান্ডের সহস্রাধিক খ্রিষ্টান এতে অংশ গ্রহণ করেন।
খ্রীষ্টযাগ শেষে বড়দিনের কীর্তনের আনন্দে মেতে উঠে। সাথে চলে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়। কাউকে কাউকে ধরিয়ে কাঁদতে দেখা গেছে।
নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলার টানে ছুটে এসেছে বিজয় ভিনসেন্ট গোমেজ ও তার স্ত্রী বন্যা রোজারিও। মি গোমেজ বলেন, নিউ ইয়র্ক থেকে ছুতে আসার একটাই কারণ এখানে অনেক বাংলাদেশিদের অবস্থান। এবং দেশীয় কৃষ্টিতে বড়দিন উদযাপন করা হয়। তিনি একসাথে এতো বাংলাদেশিদের দেখতে পেয়ে আপ্লোত।
রক্তিম রেগো এসেছেন নিয়ে ইয়র্ক থেকে স্বপরিবারে। উদ্দেশ্য দেশীয় আমেজে বড়দিন উদযাপন ও আত্নীয়-স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ।
পবিত্র খ্রীষ্টযাগে অংশ নিতে ডিসি ও ভার্জিনিয়াতে থেকেও অনেকে এসেছিলেন।
খ্রীষ্টযাগের পর ফাদার অনিল বলেন, প্রতি বছর তিনি আসেন বড়দিন ও ইস্টারের খ্রীষ্টযাগ উৎসর্গ করতে। তিনি বলেন ,একসাথে এতো বাঙালি খ্রিষ্টান পেয়ে তিনি যেন দেশীয় স্বাদ অনুভব করেন।

খ্রীষ্টযাগের পর স্থনীয় সংগঠন বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন ও বাঙালি-আমেরিকান খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন বাড়ি বাড়ি কীর্তন গেয়ে যীশু খ্রীষ্টের জন্মের বারতা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়।

সন্ধ্যায় স্থনীয় একটি হলে ইছামতি সংগঠন বড়দিন পুনর্মিলনী ও নববর্ষ উদযাপন করে স্থনীয় একটি হলে। নাচ, গান, নাটিকা দিয়ে সাজানো এই অনুষ্ঠানে দেড় শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সুবীর কাস্মীর পেরেরা
সিলভার স্প্রিং , মেরিল্যান্ড

Leave a Reply